এমএনপি সেবাই গ্রাহকদের গ্রামীণফোন ছাড়ার আবেদন বেশি।

0
31

টেলিকমঃমোবাইল নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তনের সেবা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটিতে (এমএনপি) অন্য অপারেটর থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক এসেছে রবিতে। আর সবচেয়ে কম টেলিটকে। এমএনপি চালু হওয়ার পাঁচ দিনে মোট আবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ১ অক্টোবর এমএনপি সেবা চালু হয়।

বিটিআরসি থেকে পাওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, অপারেটর বদল করে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক এসেছে রবিতে। রবিতে ২ হাজার ৩৪১ জন। এ ছাড়া বাংলালিংকে ১ হাজার ৮৯, গ্রামীণফোনে ৬৮২ এবং টেলিটকে ৮৯ জন গ্রাহক অন্য অপারেটর থেকে এসেছে। ওই তথ্যে দেখা গেছে, অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন এসেছে ১০ হাজার ১২২টি। এর মধ্যে সফল হয়েছে ৪ হাজার ১৮১টি এবং বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৮৬২টি। আবেদন ঝুলে আছে ৭৯টি। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, টেলিটক থেকে ৮২, গ্রামীণফোন থেকে ১ হাজার ৩৫৬ এবং বাংলালিংক থেকে ৯২৬ জনসহ মোট ২ হাজার ৩৪১ জন গ্রাহক রবিতে এসেছেন। টেলিটক থেকে ২৩, গ্রামীণফোন থেকে ৪৫০ এবং রবি থেকে ৬০৪ জনসহ মোট ১ হাজার ৮৯ জন গ্রাহক অপারেটর পরিবর্তন করে বাংলালিংকে এসেছেন।

গ্রামীণফোন থেকে ২৮, রবি থেকে ৩৭ এবং বাংলালিংক থেকে ২৪ জনসহ মোট ৮৯ জন গ্রাহক অপারেটর পরিবর্তন করে টেলিটকে এসেছেন। টেলিটক থেকে ২৫, রবি থেকে ৩৩১ এবং বাংলালিংক থেকে ৩২৬ জনসহ মোট ৬৮২ জন গ্রাহক গ্রামীণফোনে এসেছেন।

এমএনপি নিয়ে বিটিআরসির প্রতিবেদন
নম্বর

বাংলাদেশে এমএনপি চালুর জন্য গত বছরের জুলাই মাসে নীতিমালার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। অপারেটর বদলাতে গ্রাহককে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের (যেটায় যেতে আগ্রহী) কাস্টমার কেয়ার বা সেবাকেন্দ্রে যেতে হবে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু থাকায় গ্রাহকদের ছবি লাগবে না। কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে নির্ধারিত ফি জমা দিলে গ্রাহককে নতুন সিম দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সিম চালু হওয়ার কথা। একবার অপারেটর বদলালে গ্রাহককে নতুন অপারেটরে ৯০ দিন থাকতে হবে।

জুলাই মাসে এমএনপি নীতিমালা চূড়ান্ত করার সময় বলা হয়েছিল—অপারেটর পরিবর্তনে গ্রাহককে ৩০ টাকা ফি বা মাশুল দিতে হবে। অবশ্য চালুর আগে তা বাড়িয়ে ৫০ টাকা করেছে বিটিআরসি। এ টাকা পাবে ইনফোজিলিয়ন ও বিটিআরসি। অবশ্য এর ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আছে। ফলে গ্রাহকের ফি দাঁড়াচ্ছে ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। এ ছাড়া সিম পরিবর্তনের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১০০ টাকা কর আছে। সব মিলিয়ে গ্রাহকের ফি দাঁড়াচ্ছে ১৫৮ টাকা।

অবশ্য দ্রুত (২৪ ঘণ্টার মধ্যে) এমএনপি সেবা নিতে ১০০ টাকা বাড়তি দিতে হবে গ্রাহককে। এর ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আছে। যদিও অতি জরুরি ক্ষেত্রে পোস্টপেইড গ্রাহক ছাড়া অন্য গ্রাহকদের বাড়তি টাকা দিয়ে দ্রুত সেবা নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে মনে করছে ইনফোজিলিয়ন।
//সুত্রঃ প্রথম আলো/ বাংলা ট্রিবিউন//

Leave a Reply