ছবি মুক্তির আগেই মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যোমকেশ-সত্যকাম!

0
7

কলকাতা : একটা মানুষের একাধিক চেহারা ৷ একাধিক রূপ৷ খারাপের অসংখ্য দিক নাকি তাঁর মধ্যে ভালো কিছুও আছে ৷ ঠিক কেমন ছিলেন সত্যকাম? এই প্রথম কোনও ডিটেক্টিভ মুভির ডিটেক্টিভকে ছেড়ে চোখ চলে গিয়েছে ভিলেনের দিকে ৷ সত্যান্বেষীর পাশাপাশি তাকে একেবারে শিরায় শিরায় চেনার চেষ্টা করছেন দর্শকরা ৷

‘ব্যোমকেশ গোত্র’ মুক্তি পেতে বাকি আর মাত্র পাঁচ দিন৷ তার আগেই সত্যাকাম এবং ব্যোমকেশ হলেন মুখোমুখি৷ তারপর কী হল, সেটা জানার জন্য রইল এই ভিডিও৷

সত্যকাম৷ নামটাই শুনলেই ক্ষোভে ফেটে গোটা মুসৌরি শহর৷ সেটা হওয়াটাই স্বাভাবিক৷ ভিলেন তকমাটাও তার চরিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কাছে খুবই কম৷ ক্যাসানোভা, কাপুরুষ, চরিত্রহীন, অনেকেই বিভিন্ন নামেই চেনেন তাঁকে৷ তবে ব্যোমকেশ কীভাবে দেখছেন সত্যকামকে? সেটাই জানার পালা এসে গিয়েছে৷

ছবিতে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা নতুন করে ভাবিয়ে তুলবে ব্যোমকেশপ্রেমী সহ অন্যান্য দর্শকদের৷ এতো পাহাড়ি জায়গা ছেড়ে কেন মুসৌরিতে শ্যুটিং হল৷ পাহাড় কেনই বা ছবির গল্পের জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ৷

কীভাবে সত্যবতী এবং অজিত অজান্তে অনেকটা প্রভাব ফেলে ব্যোমকেশের সিদ্ধান্তে সে গল্পও রয়েছে ছবিতে৷ ব্যোমকেশের তদন্তে অনেকাংশে অজিত এবং সত্যবতীর হাত রয়েছে৷ মুভি অব দ্য ক্যাপ্টেন অর্থাৎ পরিচালক অরিন্দম শীল। প্রধান চরিত্রে অভিনয়ে রয়েছেন আবির চট্টোপাধ্যায়। সিগনেচার ধুতি-গেঞ্জি ছেড়ে এবার ওভারকোট, গলায় মাফলার, হাতে চুরুট আর মোটা কালো ফ্রেমের চশমার বদলে হাফ রিমলেসে ধরা দিয়েছেন সত্যান্বেষী।

আসলে অরিন্দমের ব্যোমকেশ সিরিজ এখন ট্র্যাভেলগের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে দর্শকের কাছে। গোয়েন্দাগিরির টানটান উত্তেজনা মাঝে অপূর্ব কিছু লোকেশন৷ তাই জন্য অরিন্দম কখনও ছুটে যান বারাণসী তো কখনও বা উত্তরবঙ্গ! এবারের প্রেক্ষাপট পাহাড় হওয়ায় চরিত্রদের পোশাকেও পরিবর্তন এসেছে।

ব্যোমকেশ সহ সকলের লুকেই হয়ে গিয়েছে হাওয়া বদল। বইয়ের পাতার ব্যোমকেশকে সিনেম্যাটিক করতে গেলে অনেক কিছুই বদলাতে হয়। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘রক্তের দাগ’ অবলম্বনে ‘ব্যোমকেশ গোত্র’। অরিন্দম গল্পকে গড়েছেন, নিয়ে গিয়েছেন মুসৌরিতে।

ভিডিও দেখুনঃ

সুত্রঃ kolkata24x7

Leave a Reply