জঙ্গি আস্তানায় বিপুল বিস্ফোরক, পলাতক মহিলা জেএমবি সদস্য!

0
10

চট্টগ্রাম : বাংলাদেশের বন্দর নগরী তথা বাণিজ্যিক রাজধানীতে আগেও জঙ্গি ডেরার হদিস মিলেছে ৷ বিভিন্ন সময়ে গোয়েন্দা তথ্যে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও মায়ানমার সীমান্তে ছড়িয়ে থাকা সক্রিয় জঙ্গি শিবিরের কথা ৷

কীভাবে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এই কাজে মদত দিচ্ছে তাও জানা গিয়েছে ৷ একাধিক জঙ্গি আস্তানা নষ্ট করা হলেও তারা যে সক্রিয় তার প্রমাণ মিলল ফের৷ দুই জেএমবি জঙ্গির মৃত্যু ও কয়েকজন পলাতক ৷ তাদের মধ্যে একজন মহিলা বলেই জানা গিয়েছে ৷

শুক্রবার চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জোরারগঞ্জে গভীর রাত থেকে চলা জঙ্গি দমন কর্মসূচি ঘিরে বড়সড় সাফল্য পেল ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন( র‌্যাব) ৷ এই অভিযান শেষ হয়েছে৷ অভিযান চলাকালীন দু পক্ষের মুহুর্মুহু গুলি চলার ফলে পরিস্থিতি সন্ত্রস্ত৷ বেশকয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা৷

র‌্যাবের সংবাদ মাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান জানিয়েছেন, বাড়িটিতে দুটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। একটি একে ২২ রাইফেল, পাঁচটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, তিনটি পিস্তল ও বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ নতুন করে সক্রিয় ? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করল৷ কারণ এবারের জঙ্গি ডেরাটি ছিল এই সংগঠনের৷ পুরনো জেএমবি ভেঙে নব্য জেএমবি তৈরি হয়৷ তার পরেই বাংলাদেশে একাধিক নাশকতা ও হামলায় জড়িয়ে যায় নব্য জেএমবি৷ সেই সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের খতম ও বন্দি করা হয়েছে৷ গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, এবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় মরিয়া পুরনো জেএমবি৷

র‌্যাব জানিয়েছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঠিক পাশে জোরারগঞ্জ থানার উত্তর সোনাপাহাড় গ্রামে ছিল ডেরা৷ স্থানীয় চৌধুরী ম্যানশন নামে একটি বাড়িতে ভাড়া নিয়েই ডেরা তৈরি করেছিল জেএমবি ৷

অভিযানের পরে সেই বাড়ির মালিক মাজহারুল হককে জেরার জন্য আটক করা হয়েছে৷ গভীর রাতে অভিযান শুরু হতেই সেই বাড়ি থেকে জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করে৷ দীর্ঘ সময় গোলাগুলি চলে। পরে ভোরের দিকে ওই বাড়িতে বেশ কয়েকটি বিস্ফারণ ঘটে। তখনই বোঝা গিয়েছিল, বাড়ির মধ্যে আত্মঘাতী হয়েছে জঙ্গিরা ৷
News Source: kolkata24x7

Leave a Reply