দুই সিটির নির্বাচন তদারকিতে ইসির ১২ সদস্যের কমিটি

0
16

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পৃথক দুটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গাজীপুর সিটির জন্য ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও খুলনা সিটির জন্য খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের কমিটিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পদস্থ কর্মকর্তাদের রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার পৃথক চিঠিতে এসব কমিটি গঠনের বিষয়টি সংশ্নিষ্টদের জানিয়ে দিয়েছে ইসি সচিবালয়। এদিকে অপর এক চিঠিতে আচরণবিধির লঙ্ঘন ঠেকাতে গাজীপুরে ১০ জন ও খুলনায় পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা ও খুলনার বিভাগীয় কমিশনারদের এ সংক্রান্ত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।

ইসির সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার স্বার্থে সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিকে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি সভা করতে বলা হয়েছে। ওই সভার কার্যবিবরণী নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। সভার আলোচনা থেকে কমিশন নির্বাচনী এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা নেবে।

জানা গেছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জন্য গঠিত সমন্বয় কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে। আর সদস্য সচিব থাকবেন গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। কমিটির সদস্যরা হলেন ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক, বিজিবির সেক্টর কমান্ডার, গাজীপুরের ডিসি ও এসপি, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা, র‌্যাবের সংশ্নিষ্ট অধিনায়ক, আনসার ও ভিডিপির সংশ্নিষ্ট পরিচালক, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) যুগ্ম পরিচালক, ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও ঢাকার জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত এবং লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াই এই কমিটির কাজ হবে। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম মনিটর করা, বিরূপ পরিস্থিতির উদ্ভব হলে বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে তা উত্তরণে এই কমিটি ব্যবস্থা নেবে এবং ইসিকে অবহিত করবে। একই সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সার্বিক সহায়তা করবে। একই পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের দিয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির কার্যপরিধি গাজীপুরের মতোই একই ধরনের নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে আচরণবিধি রোধ ঠেকানো ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ম্যাজিস্ট্রেট নামানোর নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন অর্থাৎ ১ এপ্রিল পর্যন্ত ২৪ দিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর নির্বাচনী এলাকাগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে। সুত্রঃ সমকাল।

Leave a Reply