ধর্মঘট এই মুহূর্তে প্রত্যাহার করা সম্ভব নয়,পরবর্তী কর্মসূচি ৩০ অক্টোবর!

0
16

সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতিতে গোটা দেশ অচল। দাবি আদায়ে জনসাধারণকে জিম্মি করার অভিযোগ অস্বীকার করেন সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের সহসভাপতি সাদিকুর রহমান হিরু। তিনি রোববার সমকালকে বলেন, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এ কারণেই কর্মবিরতির কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন। সড়ক পরিবহন আইনের নামে চালককে যেভাবে জেল-জরিমানা দেওয়া হচ্ছে, তাতে তাদের পক্ষে গাড়ি চালানোই সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছেন। জনগণকে জিম্মি করা তাদের উদ্দেশ্য নয়।

সড়ক নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সারা দেশে তাদের কর্মবিরতি আগের ঘোষণা অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টাই চলবে বলে জানান তিনি। কর্মবিরতির পর তাদের পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাদিকুর রহমান হিরু জানান, ৩০ অক্টোবর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

শ্রমিকদের এবারের আন্দোলনে সমর্থন রয়েছে মালিকদেরও। তা স্পষ্ট করেই জানালেন ঢাকা মালিক পরিবহন সমিতির সভাপতি আবদুল কালাম। তিনি সমকালকে বলেন, শ্রমিকদের আট দফার প্রতি সহানুভূতি রয়েছে। বাংলাদেশে একটি ধারণা গড়ে উঠেছে, চালক-মালিকরা খারাপ। তারা অচ্ছুতে পরিণত হয়েছেন। নিজেদের বাঁচার স্বার্থেই তাদের আন্দোলন করতে হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, শনিবার পরিবহন শ্রমিকেরা আট দফা দাবিতে এই পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করে। যা শুরু হয়েছে রোববার সকাল ৬টা থেকে।

পরিবহন শ্রমিকদের দাবিগুলো হলো: সড়ক দুর্ঘটনার সব মামলা জামিনযোগ্য করা, দুর্ঘটনায় চালকের পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান বাতিল, চালকের শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণির পরিবর্তে পঞ্চম শ্রেণি করা, ৩০২ ধারার মামলার তদন্ত কমিটিতে শ্রমিক প্রতিনিধি রাখা, পুলিশি হয়রানি বন্ধ, ওয়ে স্কেলে জরিমানা কমানো ও শাস্তি বাতিল এবং গাড়ি নিবন্ধনের সময় শ্রমিক ফেডারেশন প্রতিনিধির প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করা।
// সুত্রঃ সমকাল/ প্রথম আলো//

Leave a Reply