প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর জন্য সরকারি চাকরিতে এবার কোটা বাতিল-ঢাকা !

0
11

ঢাকা: মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবি নিয়ে শুরু হয়েছিল বৃহত্তর আন্দোলন ৷ সেই আন্দোলনের ধাক্কায় নড়ে যায় সরকার৷ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা হবে ৷ বুধবার শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় সেই কোটা বাতিলের সুপারিশ অনুমোদন করেছে৷ তবে চাকরির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংরক্ষিত আসন আদালতের এক্তিয়ারে বলেই জানানো হয়েছে ৷

বিবিসি বাংলা জানাচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব মহম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, সরকারি চাকরির একাংশ অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর জন্য বাতিল করা হয়েছে। তবে নিচের দিকের পদের জন্য এই কোটা পদ্ধতি বহাল থাকবে। অতি দ্রুত এই বিষয়ে নোটিশ জারি করা হবে ৷

এদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ‘সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ আহবায়ক হাসান আল মামুন জানিয়েছেন, সচিব কমিটির সুপারিশ খতিয়ে দেখেই প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে ৷ এই সংগঠনের নেতৃত্বে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে বিরাট আন্দোলন হয়৷ উত্তপ্ত হয়েছিল পরিস্থিতি ৷ আন্দোলন থামাতে আওয়ামী লীগের শাখা সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলায় অনেকে জখম হয়েছিলেন ৷ এমন পরিস্থিতিতে গত ১১ এপ্রিল সংসদে সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল বা সংস্কারের প্রয়োজন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সচিব কমিটি গঠন করে সরকার। সেই কমিটির সুপারিশ মেনে কোটা বাতিলে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা ৷

বাংলাদেশের সরকারি চাকরিতে কোটা :
প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা রয়েছে। কোটার একটি বড় অংশ ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং তাদের নাতি-নাতনিদের জন্য সংরক্ষিত৷ এর বাইরে মহিলাদের জন্য ১০ শতাংশ, অনগ্রসর জেলার বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র মানব গোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য এক শতাংশ কোটা রয়েছে ৷

সম্প্রতি পড়ুয়ারা পুরো কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে৷ তার জেরে তৈরি হয় তীব্র উত্তেজনাকর পরিবেশ ৷ পরিস্থিতির চাপে সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয় ৷
সুত্রঃ kolkata24x7

Leave a Reply