সিরিয়ায় হামলার বিকল্প ছিল না: তেরেসা মে

0
17

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের যৌথ হামলা সফল হয়েছে দাবি করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বলেছেন, সিরিয়ায় এই হামলার কোনো বিকল্প ছিল না।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সিরিয়ায় যৌথ হামলার পর লন্ডনের ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। খবর বিবিসির

এ সময় তিনি সিরিয়ায় যে যৌথ হামলা চালানো হয়েছে তাকে ‘যথার্থ’ ও ‘বৈধ’ বলে উল্লেখ করেন।

তবে যুক্তরাজ্যের বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন মনে করেন, সিরিয়ায় চালানো যৌথ হামলা ‘আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।’

সিরিয়ায় হামলার আগে রাশিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তেরেসা মে বলেন, বেসামরিক মানুষের প্রাণ রক্ষার জন্য এ হামলার আগে বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের উত্তরাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধ্বংস্তস্তূপে পরিণত হয়েছে একটি ভবন

তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট জায়গায় সীমিত এ হামলার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষমতাকে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ যৌথ হামলার মাধ্যমে পরিষ্কার বার্তা দেয়া হয়েছে যে, রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কখনো সহ্য করবে না।’

তিনি বলেন, এ হামলা ছিল যথার্থ এবং সম্পূর্ণ ব্রিটেনের স্বার্থের অনুকূলে। তবে এ হামলার মাধ্যমে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না বা সিরিয়ার ক্ষমতায় পালাবদল ঘটানোর চেষ্টাও করা হচ্ছে না।

আগামী সোমবার পার্লামেন্ট বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দেবেন এবং সেখানে এ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের প্রশ্ন করার সুযোগ থাকবে বলেও এ সময় জানান তেরেসা মে।

প্রসঙ্গত, সিরিয়ার ডুমা শহরে কথিত রাসায়নিক হামলার জবাবে শনিবার সকালে দেশটির রাজধানী দামেস্ক ও হোমসের সামরিক ঘাঁটিতে একযোগে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গেভিন উইলিয়ামসন এ হামলাকে ‘খুবই সফল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সুত্রঃ সমকাল।

Leave a Reply