২৭ অথবা ২৯ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণের সম্ভাবনা

0
9
একাদশ সংসদ নির্বাচন

আগামী ২৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার অথবা ২৯ ডিসেম্বর শনিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে আগামী ২৭ অথবা ২৯ ডিসেম্বর এই নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কোনো কারণে এই সময়ের মধ্যে সম্ভব না হলে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ও্‌ই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি। সেই হিসাবে আগামী বছরের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে। আর মেয়াদের অবসান ছাড়া অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে ওই দিন থেকে পরের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলেছেন, সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তফসিল ঘোষণার পর থেকে শুরু করে ভোট গ্রহণের দিন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৫ থেকে ৪০ দিন সময়ের প্রয়োজন। এ সময়ের মধ্যে নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা থেকে শুরু করে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই এবং নির্বাচন আয়োজন করা হয়ে থাকে।

সেই হিসাব অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আগামী ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এই নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করার উদ্যোগও নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নুরুল হুদা ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের পাশাপাশি উপজেলা ও থানা ভিত্তিক ভোটার তালিকার সিডি তৈরির বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের জেলা এবং আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

এদিকে নির্বাচনী মালপত্র কেনাকাটার প্রক্রিয়াতেও গতি বেড়েছে। চলতি এপ্রিল মাসেই মালপত্র কেনার দরপত্র আহ্বান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ব্যালট পেপার, বিভিন্ন ধরনের ফরম ও প্যাকেট মুদ্রণের জন্য তিন লাখেরও বেশি রিম কাগজ কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েক ধরনের মাল রয়েছে, যেগুলো এখন কিনলেও নির্বাচনের আগে নষ্ট হবে না- সেই সব মালপত্র কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে নির্বাচন ব্যয় খাতে ৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। সুত্রঃ সমকাল।

Leave a Reply